বয়স ৮০, তো? প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর ব্যায়ামের ছবিতে তোলপাড় নেটপাড়া!

আশি বছরের শঙ্করসিং বাঘেলা নিত্যদিন ফিট থাকার জন্য শুরু করেছেন ওয়ার্কআউট ও জগিং। সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ারও করেছেন সেই সব ছবি। জগিং করার ছবির পাশাপাশি তাঁকে ওজন তুলে নিজের শক্তি বাড়ানোর বেয়াম করতেও দেখা গিয়েছে। হাইলাইটস ৮০ বছরের বাঘেলা তাঁর ট্যুইটারে ছবিগুলি শেয়ার করে ক্যাপশন করেছেন, ‘বডি ফিট + মন ফিট + জীবন হিট’। অনেকেই এর থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন শুভেচ্ছাবার্তায়। করোনা জয় করে হাসপাতাল থেকে ফেরার পর নিজেকে ফিট করার পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: এক মাস আগেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন গুজরাতের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শঙ্করসিং বাঘেলা। হাসপাতাল থেকে করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফেরার পর এবার নিজের স্বাস্থ্যকে আরও বেশি করে সময় দিতে শুরু করেছেন তিনি। কারণ, তিনি বুঝতে পেরেছেন স্বাস্থ্যই সম্পদ। আশি বছরের বাঘেলা নিত্যদিন ফিট থাকার জন্য শুরু করেছেন ওয়ার্কআউট ও জগিং। সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ারও করেছেন সেই সব ছবি। আর সেগুলি নিমেছে মন জয় করেছে নেটপাড়ার বাসিন্দাদের। ৮০ বছরের বাঘেলা তাঁর ট্যুইটারে ছবিগুলি শেয়ার করে ক্যাপশন করেছেন, ‘বডি ফিট + মন ফিট + জীবন হিট’। জগিং করার ছবির পাশাপাশি তাঁকে ওজন তুলে নিজের শক্তি বাড়ানোর বেয়াম করতেও দেখা গিয়েছে। গুজরাতের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর করোনাকে জয় করে আসার পর এভাবে স্বাস্থ্য ও মনকে উজ্জ্বল করার প্রয়াসে অভিভূত সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাঁকে প্রশংসা করে ট্যুইট করছেন নেটিজেন। অনেকেই এর থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন শুভেচ্ছাবার্তায়। ফিট থাকার যে কোনও বয়স হয় না সেকথাই যেন বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি। করোনা জয় করে হাসপাতাল থেকে ফেরার পর নিজেকে ফিট করার পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। যেমন ভাবনা, তেমনই কাজ। তার পর থেকেই ফিটনেস বাড়ানোর কসরত শুরু করে দিয়েছেন তিনি। অনেকেই তাঁর ফিটনেসের ছবি দেখে লিখেছেন যে, তাহলে এটাই ছিল আপনার করোনাভাইরাসকে হারানোর কৌশল। রাজনৈতিক মহলে বাপু নামে পরিচিত শঙ্করসিং বাঘেলা। কিছুদিন আগেই এনসিপি থেকে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। ১৯৯৬-৯৭ সালে গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বাঘেলা। বাঘেলার আইটি ও মিডিয়া ইন-চার্জ পার্থেশ পটেল গত মাসে বলেছিলেন, কয়েকদিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন ন্যাশনাল কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি)-র প্রাক্তন এই সাধারণ সম্পাদক। তার পরই তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করানো হয়। রিপোর্টে কোভিড ১৯ পজিটিভ ধরা পড়ে। কিছুদিন গান্ধীনগরে নিজের বাড়িতেই আইসোলেশনে ছিলেন বাঘেলা। পটেল আরও জানান, বাঘেলার শারীরিক অবস্থা খতিয়ে দেখে চিকিৎসকেরা স্থির করবেন তাঁকে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হবে কি না। শুধুমাত্র জ্বরই রয়েছে বাঘেলার। কোথা থেকে তিনি সংক্রমিত হলেন তা স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছিলেন পটেল। পাশাপাশি তিনি এটাও জানান, করোনার মহামারী শুরুর পর কয়েক দিন ধরেই রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতাল ও কোভিড সেন্টারগুলোতে পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। চিকিৎসকরা সন্দেহ করছেন সেখান থেকেই বাঘেলার শরীর ভাইরাস সংক্রমিত হয়েছে। পরে তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছিল।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *