আন্তর্জাতিক মানের গাড়ি নিয়ে নতুন যুগে কেএমপি

প্রথমবারের মতো উচ্চগতি সম্পন্ন আন্তর্জাতিক মানের গাড়ি পেল খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি)। চারটি নতুন পুলিশ সিডান এবং দুইটি নতুন মাইক্রো-বাস কিনেছে সংস্থাটি। ১৯৮৬ সালের ১ জুলাই সংস্থাটি যাত্রা শুরু পর এবারই প্রথম পেলো বিশ্বমানের দ্রুতগামী গাড়ি। যানবাহন স্বল্পতার কারণে অপরাধীদের ধরতে বেগ পেতে হতো খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি)। লক্কড়-ঝক্কড় গাড়িতে চলতে হতো পুলিশদের। বিভাগীয় শহর খুলনা মহানগরীতে কোতোয়ালি, সোনাডাঙ্গা, দৌলতপুর, খালিশপুর, খান জাহান আলী, লবণচরা, হরিণটানা ও আড়ংঘাটাসহ আটটি থানা রয়েছে। এই আটটি থানা এলাকায় অপরাধ দমন, নিয়মিত টহল, জরুরি ও দ্রুত পরিষেবা নিশ্চিত করতে দ্রুতগতির এ যানগুলোতে নতুনমাত্রা যোগ হবে কেএমপির। রূপসা থেকে পথেরবাজার দূরত্বের মধ্যেও দ্রুততম সময়ে পুলিশ প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করতে পারবে। সূত্রমতে, পুলিশের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের আধুনিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি দিয়ে সজ্জিত এই গাড়িগুলো-১৫০০ সিসি টয়োটা এক্সিয়োস এবং মাইক্রো বাস সম্প্রতি খুলনা শহরে চালু হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কেএমপিতে দ্রুতগামী যানের কারণে কাজের গতি আরো বাড়বে। পুলিশ দ্রুত এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারবে। এতে করে অপরাধীরা পার পাবে না। কমবে অপরাধ প্রবণতা। বুধবার সকালে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি (মিডিয়া) কানাই লাল সরকার জানান, পুলিশের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের আধুনিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি দিয়ে সজ্জিত এই গাড়িগুলো সড়কে নেমেছে। এর মাধ্যমে নতুন যুগে প্রবেশ করল খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ। পুলিশ ডিপার্টমেন্টে এই দ্রুতগামী যানের মাধ্যমে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে কম সময় লাগবে। বাড়বে গতি। কেএমপির কমিশনার খন্দকার লুৎফুল কবির বলেন, আমরা এই যানবাহনগুলো শহরের বিভিন্ন এলাকায় টহল দেয়ার জন্য ব্যবহার করছি। পাশাপাশি যেকোনো সময় আমাদের কাছ থেকে সহায়তা চাইলে পুলিশি পরিষেবা নিশ্চিত করতে এই যানগুলিও ব্যবহার করছি। তিনি আরো জানান, কেএমপির কার্যকারিতা আপডেট করার এবং পরিষেবাগুলো মানুষের দ্বারে পৌঁছে দেয়ার অংশ হিসাবে নিজস্ব উদ্যোগে গাড়িগুলো সাজানো হয়েছে। কেএমপি সদর দফতরে দ্রুত প্রতিক্রিয়াশীল টিমগুলো যানবাহন পরিচালনা করছে। তারা চব্বিশ ঘণ্টা ডিউটিতে থাকে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *